জাপানের গুনমা প্রিফেকচারের এক ছোট্ট শহরে, *বুনতা ফুজিওয়ারা* একটি টোফু দোকান চালান। তাঁর ছেলে তাকুমি, একজন সাধারণ উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র, যাকে প্রতিদিন ভোরে টোফু ডেলিভারি দিতে হয় বাবার পুরানো টয়োটা স্প্রিন্টার ট্রুইনো AE86 নিয়ে। গাড়ির দরজায় সাদা স্টিকার: “藤原とうふ店” (ফুজিওয়ারা টোফু শপ)। তাকুমির কাছে গাড়ি চালানো শুধু একটি Routine—কিন্তু এর পিছনে লুকিয়ে আছে একটি গোপন ইতিহাস!
▪️গোপন প্রশিক্ষণ:
অজান্তেই, বুনতা তাকুমিকে শিখিয়েছেন ভারসাম্য আর নিখুঁত নিয়ন্ত্রণের কৌশল। ড্যাশবোর্ডে রাখা এক কাপ পানি যেন না ছড়ায়—এই চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে তাকুমি শিখেছে পাহাড়ি বাঁকে নিখুঁত ড্রিফট করার কৌশল। এই ভোরের ডেলিভারিগুলোই তাকে গড়ে তুলেছে “আকিনার ভূত” হিসেবে!
▪️অধ্যায় ২: প্রথম রেস
একদিন, স্থানীয় রেসিং টিম নাইট কিডস AE86-কে চ্যালেঞ্জ করে। তাদের নেতা *কেইসুকে* ঠাট্টা করে বলে, “ড্রাইভারকে ডাকো! আমরা তাকে ধুলোয় মিশিয়ে দেব!”
তাকুমি বলে :”আমি তো রেসার নই…”
কিন্তু বুনতা তাকে উৎসাহ দেন: “চালাও, তাকুমি। তুমি পারবে।”
▪️মধ্যরাতের লড়াই:
আকিনা পাসের বাঁকা রাস্তায় তাকুমির AE86 VS মাজদা RX-7। নার্ভাস তাকুমি অজান্তেই ব্যবহার করে “ব্রেকিং ড্রিফট”গাড়ির পেছন দিক পিছলিয়ে কর্নার কাটার কৌশল। ভিড় হতবাক! AE86 জিতে যায়, আর শহরে ছড়িয়ে পড়ে গুজব: “আকিনা পাসে এক ভূত বাস করে… এটা সেই গাড়ি!”
▪️অধ্যায় ৩: শত্রু ও বন্ধু
তাকুমির শান্ত জীবন ওলটপালট হয়ে যায়। তাঁর বন্ধু ইতসুকি, গাড়ি-পাগল কিন্তু ড্রাইভিংয়ে নুব, হয়ে ওঠে তাঁর ভক্ত। নাতসুকি, তাকুমির প্রেমিকা, তাঁর আত্মবিশ্বাসে মুগ্ধ। এদিকে, শক্তিশালী প্রতিদ্বন্দ্বীরা এগিয়ে আসে:
– কিয়োইচি সুদো, হোন্ডা সিভিকের এক প্রো রেসার, তাকুমির কাঁচা প্রতিভাকে পরীক্ষা করে।
– রিয়োস্কে তাকাহাশি,এলিট টিম RedSuns এর নেতা, তাকুমিকে দেখেন চ্যালেঞ্জ হিসেবে।
▪️ক্ল্যাশ অফ টাইটান :
বৃষ্টিভেজা রাস্তায় রিয়োস্কের মাজদা RX-7 FC3S-এর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে তাকুমি ব্যবহার করে “গাটার রান”টেকনিক রাস্তার ড্রেনেজ গ্রুভ কাজে লাগিয়ে কর্নার কাটা। এই জয় তাঁকে লেজেন্ড বানায় কিন্তু যুদ্ধ এখনো বাকি!
▪️অধ্যায় ৪: প্রজেক্ট ডি
বুনতা নিজের অতীত উন্মোচন করেন তিনিও একসময় লেজেন্ডারি রেসার ছিলেন। তিনি তাকুমিকে যোগ দিতে বলেন প্রজেক্ট ডি-তে, একটি গোপন টিম যার লক্ষ্য জাপানের কঠিনতম পাহাড়ি রাস্তা জয় করা। নতুন প্রতিদ্বন্দ্বীরা হাজির:
– গড ফুট, সুপারন্যাচারাল থ্রটল কন্ট্রোল সহ জিটি-আর ড্রাইভার।
– গড হ্যান্ড, টয়োটা MR2-এ ড্রিফ্টিং।
▪️চূড়ান্ত লড়াই:
হোক্কাইডোর বরফে ঢাকা পাহাড়ে তাকুমির AE86-এর মুখোমুখি হয় সুবারু ইম্প্রেজা। গাড়িটি সর্বশক্তি দিয়ে লড়াই করে, জয়ী হয় কিন্তু AE86 শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করে😁। তাকুমির জয় তিক্ত-মিষ্টি।
▪️অধ্যায় ৫:লিগাসি
কয়েক বছর পরে, তাকুমি লেজেন্ড হয়েও ফিরে আসেন গুনমার শান্ত পাহাড়ে। এক যুবক জিজ্ঞাসা করে: “আপনিই কি আকিনার ভূত?”
তাকুমি হাসেন: “ভূত কখনো মরে না… তারা অপেক্ষা করে।”
▪️সমাপ্তি:
আকিনা পাসে দেখা যায় নতুন একটি AE86, দরজায় সেই সাদা স্টিকার: **”藤原とうふ店”**। গাড়ির ড্রাইভার? এক কিশোর, যে জানে না তার ভাগ্যে কী লুকিয়ে আছে…
—
▪️মেইন ম্যাসেজ :
ইনিশিয়াল ডি শুধু গাড়ির গল্প নয়—এটি আবেগ,লিগাসি এবং মানুষ ও মেশিনের অদম্য বন্ধনের গল্প। যখন স্কিল আত্মার সাথে মিশে যায়, তখনই জন্ম নেয় লেজেন্ড! 🏁
স্মোকি নাগাতার
১৯৯৮ সালের কনকনে শীতের রাত।রাত বললে ভুল হবে তখন ভোর ৪টা, নাগাতা তার 1003bhp র মডিফাইড সুপ্রা নিয়ে হাজির ব্রিটিশ…
নাওকো নিশিমতো-সান
সাল 1999, জাপানের নাগাসাকির বাসিন্দা 55 বছর বয়সি নাওকো নিশিমতো-সান একটি নতুন মাজদা RX-7 কিনার সিদ্ধান্ত নেন। নাম্বার প্লেট হিসাবে…
টয়োটা হ্যারিয়ার
টয়োটা হ্যারিয়ার হল টয়োটার তৈরি একটি মিড সাইজ SUV যা ১৯৯৭ সালে প্রথম বাজারে আসে।যদিও এটি দেখতে কিছুটা রাগড এন্ড…
গুন্মা প্রিফেকচার
জাপানের গুনমা প্রিফেকচারের এক ছোট্ট শহরে, *বুনতা ফুজিওয়ারা* একটি টোফু দোকান চালান। তাঁর ছেলে তাকুমি, একজন সাধারণ উচ্চবিদ্যালয়ের ছাত্র, যাকে…
Blog
সময় টা ১৯৭০-এর দশক, এক টগবগে কিশোর কেইচি সুচিয়া জাপানের পাহাড়ি রাস্তায় রাতের আঁধারে রেস করত। ট্রফি বা নামডাকের মোহ…