টয়োটা হ্যারিয়ার হল টয়োটার তৈরি একটি মিড সাইজ SUV যা ১৯৯৭ সালে প্রথম বাজারে আসে।
যদিও এটি দেখতে কিছুটা রাগড এন্ড টাফ , কিন্তু এটি এর আরামদায়ক সীট , হাই কোয়ালিটি রাইড এবং ইজি টু ইউজ ইন্টেরিয়রের জন্য ব্যবহারকারীদের কাছ থেকে প্রশংসা পেয়েছে। টয়োটা ২০২০ সালে এর 4th জেনারেশন হিসাবে ফুল মডেল চ্যাঞ্জ করে বাজারে লঞ্চ করে । সেই সময় ৯০০০ টিরও বেশি ইউনিট প্রি অর্ডার পেয়ে এটি হট টপিকে চলে আসে।
হ্যারিয়ারের সবচেয়ে ভাল জিনিস হল যে এটি দেখতে যেমন সুন্দর তেমনি ইন্টেরিয়র স্প্যাস অনেক বেশি। যদিও বাইরে থেকে দেখলে ইন্টেরিয়র স্প্যাস ছোট মনে হয়, তবে ইন্টেরিয়র হাইট টয়োটা RAV4-এর চেয়ে বেশি এবং পিছনের সিটে বসলেও সিটগুলির মধ্যে প্রচুর স্প্যাস পাবেন । ইন্টেরিয়র স্প্যাস ভালো হওয়ার কারনে এটি লং ড্রাইভে অনেক কম্ফোর্ট ফিল দেয়।
4th জেনারেশন কে এমন ভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যা একে শুধু আকর্ষণীয় না, বরং অনেকটা লাক্সারিয়াস করে তুলেছে।
Harrier এমন একটি SUV, যার রয়েছে স্টাইলিশ এক্সটেরিয়র এবং প্রিমিয়াম ইন্টেরিয়র ৷এটি যেমন লং ড্রাইভে আপনাকে কম্ফোর্ট দিবে তেমনি এর গর্জিয়াস লুক সিটির মধ্যে সবার নজর কাড়বে।
হ্যারিয়ারের তিন ধরনের ইঞ্জিন রয়েছে: গ্যাসোলিন, হাইব্রিড এবং প্লাগ-ইন হাইব্রিড।
এর জনপ্রিয় হওয়ার আরেকটি কারণ হল ওয়াইড র্যাঞ্জ গ্রেড কনফিগারেশন। আপনি আপনার বাজেট এবং পছন্দ অনুযায়ী আপনার জন্য বেস্ট গ্রেডটি বেছে নিতে পারেন।২০২২ সালে রিলিজ হওয়া PHEV পেট্রল এবং হাইব্রিড ছাড়াও 2WD এবং 4WD চুজ করার অপশন রয়েছে।
জাপানে হ্যারিয়ার হাইব্রিড এর ব্র্যান্ড নিউ পাইস ৩৫লাখ ৮০ হাজার ইয়েন থেকে শুরু।(২৮লাখ টাকা ~ )
নিউ হ্যারিয়ার বিভিন্ন এডভান্সড সেফটি ফিচার অফার করে, যা আপনাকে সেইফলি ড্রাইভ করতে সাহায্য করে ।এতে আছে ওয়াইড র্যাঞ্জের সেফটি ফাংশন যার মধ্যে রয়েছে “প্রি-ক্র্যাশ সেফটি” যা একটি স্বয়ংক্রিয় ব্রেকিং ফাংশন, “লেন ট্রেসিং অ্যাসিস্ট” যা আপনাকে লাইন ক্রস করলে সিগনাল দেয় এবং আছে “রাডার ক্রুজ কন্ট্রোল” যা আপনাকে সামনের গাড়ির সাথে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রেখে ড্রাইভ করতে গাইড করে।
সবশেষ Toyota’s Harrier হল এমন একটি হাইলি রিকমেন্ডেড SUV যা এক্সটেরিয়র, ইন্টেরিয়র, সেফটি এবং বেটার ড্রাইভিং পারফরম্যান্সকে একসাথে যুক্ত করে।